এক বিশাল বড় প্রাচীড় মাথা আকাশ ছুঁইছুঁই
পরগাছা আষ্টেপিষ্টে শ্যাওলা মাখা ভূঁই।
নদীটা ঠিক কোন দিকেতে বলতে পারি নাকো
ইতিঊতি চিহ্ন আছে ভাঙাচোড়া সাঁকো
প্রাচীড় ঘিড়ে পটচিত্র হরেক লোককথা
অকিঞ্চিত প্রাণগুলোকে হিসাবজালে বাঁধা ॥
এমন সময় নাম না জানা ঘূণির্ঝড় এলো
আকাশ কালো , আবছা দৃষ্টি , জীবন এলোমেলো
প্রাচীড় কিন্ত অনড় অটল গোছানো নিয়ম কানুন
ভাঙবে তাকে , এমন স্পর্ধা প্রকৃতিরও বারণ।
মূহুর্তের এই ঊথালপাথাল ,প্রায় সবই এক আছে
কটা মানুষ বদলে গেলো তার গুনতি কার কাছে॥
সেই ঝড়ের রাতেই ধুলোর কুন্ড এসেছিল ধেয়ে
একটা বাঁশি কুড়িয়ে পেলো বনবাদাড়ি মেয়ে ।
কে জানে সে সুরের ডালি কার ছোঁয়াতে বাজে
ভাবছে মেয়ে তখন থেকে ,মন নেইকো কাজে
সেরাত থেকেই ঘুমপাড়ানিয়া বাতাস আসে নাতো
ওপারে সেই জাদুকরটা হারিয়ে গেলো নাতো
দামাল মেয়ে ঠিক করেছে করবে প্রাচীড় পাড়
হায়..আছড়ে গেলো নরম চামড়া এতোই মাটির ধাড়।
দিনরাত এক প্রাচীড় গায়ে কান পেতে থাকে মেয়ে
সেরাত থেকেই রাত কাটে তার আকাশ পানে চেয়ে॥
এপারেতে ও খামখেয়ালি ছেলে আনমনেতে বসে
হারাবে কিছু এমনটাতো কখনো ভাবেনি সে,
কি হারালো , কি পালালো কি ছিল সেই ধন
কি এমন জিনিস ইহজাগতিক ভরিয়ে রাখত মন ।
একদুবার প্রাচীড় ছুয়ে শিহরিত হয়েছে সে ও,
দূদর্মনীয় প্বেধেছে বুঝি হারানো ধনের চেয়ে ও।
এরপর হার মেনেছে সে জীবনবোধের কাছে
গন্ডি কাটা অধর্ভূক্ত ভালোবাসায় মেতেছে ॥
এভাবেই প্রতিটাদিন দুই পৃথিবী দুই দিশাতে ধায়...
একটা মাটি একটা সূযর্ আর এক আকাশের ছায়॥
No comments:
Post a Comment